চলে গেছেন নায়করাজ। কিন্তু কাজের মধ্য দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রে তিনি বেঁচে থাকবেন হাজারও বছর। এ কিংবদন্তী মহানায়কের সম্মানে হলেও বর্তমানে ইন্ডাস্ট্রিতে নিষিদ্ধের খেলা বন্ধ করা উচিত বলে মনে করেন চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ।
সদ্যপ্রয়াত এ মহানায়কের স্মরণে গত ২৬ আগস্ট আলোচনা সভায় এ কথা বলেন বাপ্পারাজ। আয়োজিত স্মরণসভায় কথা বলতে গিয়ে বাপ্পারাজ আবেগে কেঁদেছেনও। আবার কখনো কখনো ক্ষোভও মিশে ছিল আবেগের সঙ্গে।
নায়করাজের এ স্মরণ সভায় তার তিন পুত্র বাপ্পারাজ, সম্রাট ও বাপ্পীসহ চিত্রনায়ক ফারুক, সোহেল রানা, আলমগীর, সুচন্দা, সুজাতা, চম্পা, অপু বিশ্বাস, মিশা সওদাগরসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, ২১ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রাজ্জাক। সত্তরের দশকে এখানকার ফ্লোরগুলো চাঙ্গা থাকত তার সুবাদেই। নায়করাজের শুটিং হলে জমজমাট হতো এফডিসির ফ্লোরগুলো। দিনে দিনে ‘নীল আকাশের নিচে’, ‘পিচঢালা পথ’ পেরিয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন দেশীয় চলচ্চিত্রের ‘রংবাজ’।
সুত্রঃ প্রিয়.কম
সদ্যপ্রয়াত এ মহানায়কের স্মরণে গত ২৬ আগস্ট আলোচনা সভায় এ কথা বলেন বাপ্পারাজ। আয়োজিত স্মরণসভায় কথা বলতে গিয়ে বাপ্পারাজ আবেগে কেঁদেছেনও। আবার কখনো কখনো ক্ষোভও মিশে ছিল আবেগের সঙ্গে।
নায়করাজের এ স্মরণ সভায় তার তিন পুত্র বাপ্পারাজ, সম্রাট ও বাপ্পীসহ চিত্রনায়ক ফারুক, সোহেল রানা, আলমগীর, সুচন্দা, সুজাতা, চম্পা, অপু বিশ্বাস, মিশা সওদাগরসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, ২১ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রাজ্জাক। সত্তরের দশকে এখানকার ফ্লোরগুলো চাঙ্গা থাকত তার সুবাদেই। নায়করাজের শুটিং হলে জমজমাট হতো এফডিসির ফ্লোরগুলো। দিনে দিনে ‘নীল আকাশের নিচে’, ‘পিচঢালা পথ’ পেরিয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন দেশীয় চলচ্চিত্রের ‘রংবাজ’।
সুত্রঃ প্রিয়.কম
No comments:
Post a Comment