কয়েকটি মানুষখেকোর কাহিনী:
কয়েকটি মানুষখেকোর কাহিনী:
১। ঘটনাটি ১৯৩২ সালের। তানজানিয়ার নজোম্বে একদল সিংহ এই মানুষ হত্যায় মেতে ওঠে। সিংহগুলো এক রহস্যময় কারণে মানুষের মাংস খুঁজতে শুরু করে। এ সম্পর্কে একটা গুজব বা গল্প খুব চালু আছে। এক ওঝা নাকি নিয়ন্ত্রন করতো সিংহের পালকে। গাঁয়ের প্রধান সেই ওঝাকে গাঁ থেকে বের করে দিলে সে পাগল হয়ে ওঠে প্রতিশোধের নেশায়। সে জঙ্গলে আত্নগোপন করে থাকতো, ভৌতিক চাঁদের রাতে জঙ্গল থেকে বের হতো। মন্ত্রপাঠ করতো রক্তঠাণ্ডা করা কন্ঠে। তার লাঠিটা গাঁয়ের দিকে তাক করে গাঁয়ের সব মানুষদের দিতো অভিশাপ। এরপরেই সিংহগুলোর হত্যাযজ্ঞ শুরু হতো। গ্রামবাসীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তো সিংহগুলো।
২। অন্যসব মানুষখেকোদের চেয়ে টমের কাহিনী কিছুটা অস্পষ্ট। এক দুর্ঘটনায় বিশাল এই অ্যালিগেটরটি তার পেছনের দু পা-ই হারিয়ে ফেলে। ফলে স্বাভাবিক শিকারে অক্ষম হয়ে পড়ায় সহজ টার্গেট হিসেবে মানুষকেই বেছে নিয়েছিলো সে। অতিকায় এই দানবটি লম্বায় প্রায় পনেরো ফুট।
৩। সাংকেবেতসু, জাপান। ১৯১৫ সাল। জঙ্গল কাছেই ছিল বিধায় বুনো জন্তুর দল প্রায়ই হামলা চালাতো ফসলের ক্ষেতে। অধিকাংশ জন্তু- জানোয়ারই পালাত মানুষের শব্দ পেলে, কিন্তু অতিকায় এই বাদামী ভালুকটি ছিলো এর ব্যতিক্রম।
মূল লেখকঃ নীলপথিক
Post Top Ad
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment